যেনে নিন নিয়মিত কফি পানের আশ্চর্য্যজনক উপকারিতা



যেনে নিন নিয়মিত কফি পানের আশ্চর্য্যজনক উপকারিতা, TotthoSeba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা

০১. নিয়মিত কফি পান শারীরিক দক্ষতা এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
কাজ শুরু করার আগে এক কাপ ব্লাক কফি পান করুন। এটি আপনার কর্ম দক্ষতা এবং শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

০২. নিয়মিত কফি পান ওজন কমাতে সহায়তা করে।
কফিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম, যা আপনার ওজন কমাতে সহায়তা করে।

০৩. নিয়মিত কফি পানের মাধ্যমে অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহায়তা করে।

০৪. নিয়মিত কফি পান কাজে মনোযোগী এবং মানসিকভাবে সতর্ক থাকতে সহায়তা করে।

০৫. নিয়মিত কফি পান  মৃত্যু ঝুকি কমাতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত কফি পানের তাদের অপমৃত্যুর হার অনেক কম।

০৬. নিয়মিত কফি পান ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে সহায়তা করে।

০৭. নিয়মিত কফি পানের মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুকি কমাতে সহায়তা করে।

০৮. নিয়মিত কফি পান Parkinson (এক ধরনের স্নায়ু রোগ) রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

০৯. নিয়মিত কফি পান  শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

১০. নিয়মিত কফি পান ডায়াবেটিস কমাতে সহায়তা করে।

১১. নিয়মিত কফি পান  মস্তিস্কের এলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

১২. নিয়মিত কফি পান  হতাশা এবং দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।


অতিরিক্ত কফি পানের অপকারিতা
০১. নিম্ন মানের কফি পানের মাধ্যমে আপনার মাথা ব্যাথা এবং অসুস্থ্যতার কারণ হতে পারে।

০২. অতিরিক্ত কপি পান আপনার মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

০৩. অতিরিক্ত কফি আপনার ঘুম কেড়ে নিতে পারে।

০৪. গর্ভবতী মায়েদের অতিরিক্ত কফি পানের মাধ্যমে সন্তানের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

০৫. অতিরিক্ত কোলেস্টোরাল যাদের তাদের নিয়মিত কফি পান স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর।

০৬. ৫-৭ বছর বয়সের শিশুদের কফি পান করালে বিছানায় প্রশাবের পরিমান বৃদ্ধি পেতে পারে।
Share:

বসন্ত দিন


বসন্ত দিন, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, TotthoSeba, Tottho Seba
আজ গুঁটি গুঁটি পায়,
শীত নিলো যে বিদায়৷
বসন্ত এলো যে ধরায়,
রঙে রঙে আজ রাঙ্গিলো হৃদয়৷

বসন্ত আগমনে ফোটে ফুল গাছে গাছে,
প্রকৃতির সাজ দেখে সবার হৃদয় নাচে৷
একা আমি এমন ফাগুণ বেলায়,
দাঁড়িয়ে আছি তোমার অপেক্ষায়....

মন চেয়েছে হারাতে ফুলের মাঝে,
সাজবো সেথায় প্রকৃতি, বসন্ত সাজে৷
রঙে রঙে আজ রাঙ্গাবো সবার হৃদয়,

যেন গ্লানি জরা সব ধুয়ে-মুছে যায়৷

-কবি মিতুল আহমেদ
Share:

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত


যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০১. ঘর, স্কুল কলেজ, দোকান, অফিস থেকে বের হওয়ার সময় লাইট, ফ্যান ও কম্পিউটারের সকল সুইচ বন্ধ করা

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০২. যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা।  রাস্তার কোথাও ময়লা-আবর্জনা ফেলার যায়গা না থাকলে আবর্জনা ফেলার জন্য একটি নির্দিষ্টা স্থান চিহ্নিত করা।

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০৩. শিক্ষা, ধর্মীয়, সামাজিক ও স্থানীয় সরকার প্রাঙ্গনে লাগানো বাগানের ফুল-পাতার ময়লা / ধূলাবালি জমলে পানি ঢেলে/মুছে পরিস্কার করা।

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০৪. প্রতি বর্ষা মৌসুমে একটি ফলজ, একটি ভেষজ ও একটি বনজ গাছের চারা রোপন করা উচিত।

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০৫. হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল পালন করলে পুষ্টি ও আর্থিক লাভের পাশাপাশি এদের বিষ্ঠা/বর্জ্য দিয়ে বায়োগ্যাস তৈরির কলাকৌশল প্রতিবেশিদের জানানো উচিত।

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০৬. জীবাশ্ম জালানি নির্ভর যানবাহনের ব্যবহার কমাতে পায়ে হাটার পরিমান বাড়ানো উচিত। (পায়ে হাটাতে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা)

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০৭. বাড়িতে জ্বালানী সাশ্রয় চুলা ও ধোঁয়ামুক্ত রান্নাঘর তৈরি করা।

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০৮. দিনের আলোয় সকল কাজ সেরে ফেললে রাতে জ্বালানি কম খরচ হয়।  রাতের জন্য কাজ জমিয়ে না রেখে দিনের আলোয় সকল কাজ সেরে ফেলার পরিকল্পনা করা।

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
০৯. বাড়িতে দেশি শাক-সবজি, ভেষজ ও দেশি ফলের ছোট বাগান করা।

যে ১০টি কাজ আমাদের সকলের করা উচিত
১০. বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও অপচয়রোধে সকলকে সচেতন করা।

আসুন, আমরা জ্বালানি অপচয় না করি, জলাশয়ে বর্জ্য না ফেলি, অকারনে হর্ণ না বাজাই, পরিবেশ নোংরা না করি। দেশকে ভালবাসি। আমরা আমাদের ভালবাসি।  আমরা পৃথিবীর বুকে সবুজের স্বপ্ন দেখি।
Share:

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক


বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক
১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের প্রকৌশলী মিঃ ফয় এর পরিকল্পনা ও নকশা অনুযায়ী সুন্দর ও প্রাকৃতিক পরিবেশে এখানে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়। কালের ধারাবাহিকতায় প্রকৌশলী ফয় এর নামানুসারে এটি ফয়স লেক হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক

২০০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও পর্যটন কর্পোরেশন দেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান কনকর্ড গ্রুপের সংঙ্গে স্বাক্ষরিত এক ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে ফয়স লেকে ভ্রমণ ও একান্তে নাগরিক সময় কাটানোর মত পরিবেশ তৈরি করে।

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক

ফয়স লেক এখন বিশ্বমানের ভ্রমণ ও পারিবারিক বিনোদনের এক আকর্ষণীয় স্থান যার অপরুপ সৌন্দর্য ও চিত্তাকর্ষক বিনোদন সুবিধা বাংলাদেশের পর্যটন ও বিনোদন ভুবনে এক আদর্শ হিসেবে স্বকীয় বৈশিষ্ট তুলে ধরেছে যেখানে বিনোদনসহ নিরাপত্তা এবং পরিচ্ছন্নতার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক

ফয়স লেকে পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ পাহাড়, হ্রদ ও স্বচ্ছ পানির সমন্বয়ে এ নিসর্গ ভূমিতে রয়েছে অবজারভেশন টাওয়ার, ফটো কর্ণার, অ্যাকুয়াটিক কর্ণার, ডিয়ার পার্ক, কৃত্রিম জলপ্রপাত ও আন্তর্জাতিকমানের রিসোর্ট। আরো রয়েছে আধুনিক রেঁস্তোরা, মার্চেন্ডাইজ শপ, গিফট শপ ও দেশের বৃহত্তম ওয়াটার পার্ক সী ওয়ার্ল্ড কনকর্ড।

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক

১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ফয়স লেকের ভূমির পরিমান মোট ৩৩৬.৬৯ এর, জল সীমার পরিমান ৪৮.৭৫ একর ও পাহাড়ের পরিমান ২৮২.৯৬ একর। লেকের পানির গভীরতা সর্বোচ্চ ৭৮ থেকে ৮০ ফুট এবং সর্বনিম্ন ৩৮ থেকে ৪০ ফুট।

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক

ফয়স লেকে ৯টি পাহাড় ও ৮টি হ্রদ রয়েছে। পাহাড়গুলো হচ্ছে অরুণিাম, জলটুঙ্গি, গোধূলি, অস্তাচল, আকাশমনি, বনশ্রী, উদয়ন, হিমঝুরি ও গগণদ্বীপ। আর হৃদগুলো হচ্ছে জলাঙ্গী, মন্দাকিনী, দক্ষিণী, বর্ণালী, অঞ্জনা, প্রান্তিক, অজন্তা ও অলকানন্দা।

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক

বৃক্ষময় ও অপরুপ সৌন্দর্যমন্ডিত ফয়স লেকে রয়েছে নানা ধরনের ফলজ ও বনজ বৃক্ষ। লেকের পানিতে রাজহাঁস ও পার্কে কবুতর দর্শনার্থীদের আনন্দ দেয়। বন্য প্রাণীর মধ্যে রয়েছে মায়া হরিণ, বানর, বনরুই, সজারু, সাপ ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

বৃক্ষময় ও অপরুপ সৌন্দর্যমন্ডিত ফয়’স লেকে রয়েছে নানা ধরনের ফলজ ও বনজ বৃক্ষ। লেকের পানিতে রাজহাঁস ও পার্কে কবুতর দর্শনার্থীদের আনন্দ দেয়। বন্য প্রাণীর মধ্যে রয়েছে মায়া হরিণ, বানর, বনরুই, সজারু, সাপ ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক ফয়স লেকের জনপ্রিয় রাইডস সমূহঃ
       সার্কাস স্যুইং
       বাম্পার কার
       বাম্পার বোট
       ফ্যামিলি রোলার কোস্টার
       জায়ান্ট ফেরিস হুইল
       ড্রাই স্লাইড
       কেরাওসাল
       চিলড্রেন প্লে গ্রাউন্ড
       ফ্যামিলি ট্রেন
       প্যাডেল বোট
       ফ্লোটিং ওয়াটার প্লে
       স্পীড বোট
       বিগ বোট
       পাইরেট শীপ
       এ্যাপোলো ফ্লাইট
       কফি কাপ

বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র চট্টগ্রামের ফয়’স লেক Foys lake, Foy's lake, ফয়েস লেক

অন্যান্য
       মেইন গেটওয়ে
       ভিডিও গেমস
       প্যারাডাইস রেঁস্তোরা
       পিকনিক এরিয়া
       ফ্লোটিং স্টেজ
       অবজার্ভেশন টাওয়ার
       ইনফরমেশন
       ফুড কোর্ট
       মার্চেন্ডাইজ শপ
       সলাতের/নামাজের স্থান
       পার্কিং
       টয়লেট
       প্রাথমিক চিকিৎসা
       রেঁস্তোরা
আনন্দময় ভ্রমণের জন্যে আপনিও আমন্ত্রিত।
Share:

দৈনন্দিন জীবনে সুন্দরবনের অবদান

দৈনন্দিন জীবনে সুন্দরবনের অবদান
জীবন-জীবিকায় সুন্দরবনের অবদান
মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করা।
কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়
সুন্দরবন হতে প্রতি বছর প্রচুর পরিমান মধু ও মোম সংগ্রহ
গোলপাতা সংগ্রহ করে তা ঘরের ছাউনি হিসেবে ব্যবহার করা
মেলে (এক ধরণের হোগলা পাতা যা দিয়ে মাদুর বা পাটি তৈরি করা হয়)
খাদ্য ও ওষুধ হিসেবে সুন্দবনের রয়েছে বিশেষ অবদান
পর্যটন কেন্দ্র
জালানী সরবরাহ
দৈনন্দিন জীবনে সুন্দরবনের অবদান

যে সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগের রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করে
ঘূর্ণিঝড়
নদী ভাঙ্গন
ভূমি ক্ষয়
বন্যা
জলোচ্ছ্বাস
খরা
দৈনন্দিন জীবনে সুন্দরবনের অবদান

পরিবেশ ও প্রতিবেশগত অবদান
জীববৈচিত্রের আবাসস্থল
খাদ্যের যোগানদাতা
বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি
প্রাকৃতিক বনভূমি
প্রাকৃতিক জলাভূমি
কার্বন শোষণকারী
বাতাস ও পানির পরিশোধক
অক্সিজেনের ভান্ডার
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী
জীবাশ্ম জ্বালানীর উৎস

দৈনন্দিন জীবনে সুন্দরবনের অবদান

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি
বিশ্ব ঐতিহ্য
রামসার সাইট
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম মাছের প্রজনন ও পালনক্ষেত্র
শিক্ষা
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও চিত্তবিনোদন

দৈনন্দিন জীবনে সুন্দরবনের অবদান

আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের সুন্দরবনকে রক্ষা করি।
Share:

জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামী/স্ত্রীর নাম পরিবর্তন/সংশোধন/সংযোজন করতে যেসকল কাগজপত্রের প্রয়োজন



জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীস্ত্রীর নাম পরিবর্তনসংশোধনসংযোজন করতে যেসকল কাগজপত্রের প্রয়োজন
# নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। (ফরমটি নিকটস্থ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে।)

# নিকাহনামা/তালাকনামা প্রয়োজন।

# স্বামী/স্ত্রীর এআইডি কার্ডের ফটোকপি।

# ২৩০/- টাকার ফি জমার ব্যাংক রশিদ। (১ম বার আবেদনের ক্ষেত্রে)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সংযুক্ত সকল কাগজপত্র ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

বিস্তারিত তথ্যের জন্যে ভিজিট করুন

http://www.nidw.gov.bd
Share:

জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতা-মাতার নাম সংশোধনের জন্য যেসকল কাগজপত্রের প্রয়োজন


জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতা-মাতার নাম সংশোধনের জন্য যেসকল কাগজপত্রের প্রয়োজন
# নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। (ফরমটি নিকটস্থ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে)

# পি,এস,সি/জে,এস,সি/এস,এস,সি/সম্মানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।

# এস,এস,সি পাশ না হলে চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত এফিডেভিটের মূল কপি।

# জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের কপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# ইপিআই টিকা কার্ড বা অনলাইন জন্ম সনদ।

# অন্য ভাই-বোনের বা পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের পটোকপি। (এস,এস,সি পাশ না হলে)

# স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# তালাকনামাহ/নিকাহনামা। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# পাসপোর্ট এর ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# ওয়ারেশ কায়েম সনদ বা ওয়ারিশান সনদ। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# সার্ভিস বুকের ফটোকপি। প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত, স্মারকসহ প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর ফরওয়ার্ডিং লেটার। (চাকুরীজীবিদের ক্ষেত্রে)

# ২৩০/- টাকার ফি জমার ব্যাংক রশিদ। (১ম বার আবেদনের ক্ষেত্রে)
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সংযুক্ত সকল কাগজপত্র ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।


বিস্তারিত তথ্যের জন্যে ভিজিট করুন

Share:

জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম/জন্ম তারিখ সংশোধন করতে যা যা প্রয়োজন

জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম/জন্ম তারিখ সংশোধন করতে যা যা প্রয়োজন
# নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। (ফরমটি নিকটস্থ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে।)

# পি,এস,সি/জে,এস,সি/এস,এস,সি/সম্মানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।

# এস,এস,সি পাশ না হলে চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত এফিডেভিটের মূল কপি।

# জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের কপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# ইপিআই টিকা কার্ড বা অনলাইন জন্ম সনদ।

# অন্য ভাই-বোনের বা পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের পটোকপি। (এস,এস,সি পাশ না হলে)

# স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# তালাকনামাহ/নিকাহনামা। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# পাসপোর্ট এর ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# ওয়ারেশ কায়েম সনদ বা ওয়ারিশান সনদ। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# সার্ভিস বুকের ফটোকপি। প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত, স্মারকসহ প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর ফরওয়ার্ডিং লেটার। (চাকুরীজীবিদের ক্ষেত্রে)

# ২৩০/- টাকার ফি জমার ব্যাংক রশিদ। (১ম বার আবেদনের ক্ষেত্রে)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সংযুক্ত সকল কাগজপত্র ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

Share:

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে যা করতে হবে


জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে যা করতে হবে
# নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। (ফরমটি নিকটস্থ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে।)

# নিকটস্থ থানায় জিডি করে জিডির কপি মুল আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

# জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি মুল আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

# ২৩০/- টাকা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিয়ে টাকার জমার রশিদ মুল আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

# ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপনার হারিয়ে যাওয়া কার্ডটি পেয়ে যাবেন।

Download From Here


বিস্তারিত তথ্যের জন্যে ভিজিট করুন


Share:

ভোটার স্থানান্তর হওয়ার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন


ভোটার স্থানান্তর হওয়ার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন
# নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। (ফরমটি নিকটস্থ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে।)
# ফরমের অপর পৃষ্ঠায় যাচাইকারী/শনাক্তকারী হিসেবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সম্পূর্ণ নাম, আইডি নম্বর, স্বাক্ষর ও সীল দিতে হবে।
# জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
# বিদ্যুৎ বিল/পানি বিল/টেলিফোন বিলের ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
# নিকাহনামা/তালাকনামা। (নতুন বিবাহ/তালাকের ক্ষেত্রে)
# পিতা-মাতা/স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি।
# জন্ম নিবন্ধন সনদের অনলাইন কপি।
# পৌরসভার ক্ষেত্রে মেয়র/কাউন্সিলর এবং ইউনিয়নের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র।


বিস্তারিত তথ্যের জন্যে ভিজিট করুন

Share:

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য যেসব কাগজ-পত্রের প্রয়োজন


নতুন ভোটার হওয়ার জন্য যেসব কাগজ-পত্রের প্রয়োজন

# নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। (ফরমটি নিকটস্থ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে।)

# ফরমের অপর পৃষ্ঠায় যাচাইকারী হিসেবে নির্দিষ্ট ফরমের ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বরে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সম্পূর্ণ নাম, আইডি নম্বর, স্বাক্ষর ও সীল দিতে হবে।

# পিতা-মাতা, স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি।

# জন্ম নিবন্ধন সনদ।

# পি,এস,সি/জে,এস,সি/এস,এস,সি/সমমানের সনদের ফটোকপি।

# প্রবাসী হলে পাসপোর্টের ফটোকপি।

# নাগরিক সনদপত্র।

# হোল্ডিং ট্যাক্স/চৌকিদারী রশিদ। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# পানি বিল/বিদ্যুৎ/টেলিফোন বিলের ফটোকপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

# রক্তের গ্রুপের জন্যে মেডিকেল রিপোর্ট।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সংযুক্ত সকল কাগজপত্র ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।


বিস্তারিত তথ্যের জন্যে ভিজিট করুন


Share:

জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Blog Archive