স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৯৮ জনের মধ্যে ৩৮৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার ৪৯৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ১১৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। বাতিল হয়েছে ৩৮৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রার্থিতার সমর্থনে আসনের এক শতাংশ ভোটারের সই না থাকা ও সই না মেলায় বেশির ভাগ মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। স্বতন্ত্র হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত অনেক ‘বিদ্রোহী’ও ছিলেন।

ইসি সূত্র বলছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাছাইয়ে বিএনপির ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তিনজনের। ইসি সূত্র জানায়, গত রোববার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে সারা দেশে বিএনপির ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ২৯৫টি আসনে বিএনপির ৬৯৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে ৫৫৫ জনের। অন্যদিকে আর ২৬৪টি আসনে আওয়ামী লীগের ২৮১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বৈধ হয়েছে ২৭৮ জনের।

২১০টি আসনে জাতীয় পার্টির ২৩৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাছাইয়ে বৈধ হয়েছে ১৯৫ জনের মনোনয়ন, আর ৩৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, ইসিতে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মোট ২ হাজার ৫৬৭ জন দলীয় প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৪০২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যার ১৪১ জনই বিএনপির। গণতন্ত্রী পার্টি ও কল্যাণ পার্টির কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি।

ইসি সূত্র জানায়, অন্য দলগুলোর মধ্যে এলডিপির ১৫ জনের মধ্যে ৩ জন, জেপির ১৭ জনের মধ্যে ৪ জনের, সাম্যবাদী দলের ৩ জনের মধ্যে ১ জনের, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ৩৭ জনের মধ্যে ৫ জনের, সিপিবির ৭৭ জনের মধ্যে ৮ জনের, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ১৪ জনের মধ্যে ৩ জনের, ওয়ার্কার্স পার্টির ৩৩ জনের মধ্যে ১ জনের, বিকল্প ধারার ৩৭ জনের মধ্যে ১৩ জনের, জাসদের (ইনু) ৫৩ জনের মধ্যে ১৪ জনের, জেএসডির (রব) ৫১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের, জাকের পার্টির ১০৮ জনের মধ্যে ৩৫ টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের ৪৯ টির মধ্যে ৬ টি, বিজেপির ১১ টির মধ্যে ৫ টি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ১৫ টির মধ্যে ১ টি, গণফোরামের ৬১ জনের মধ্যে ১৭ জনের, গণফ্রন্টের ১৬ জনের মধ্যে ২, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের ১৬ জনের মধ্যে ২ জনের, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (কাঁঠাল) ১৩ জনের ২ জনের, ইসলামি ফ্রন্ট বাংলাদেশের ২৮ জনের মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়।

এ ছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী ছিলেন ৩২ জন, বাতিল ৯ জনের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ১২ জন প্রার্থীর ৩ জনের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৯৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জনের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির ৬ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ৩০ জনের মধ্যে ৩ জনের, মুসলিম লীগের ১৭ প্রার্থীর ১১ জন, বিএনএফের ৭১ প্রার্থীর ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

Ⓒ প্রথম আলো
Share:

মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা: বিএনপি ১৪১ এবং আওয়ামী লীগ ৩

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে আওয়ামী লীগের ৩ জন এবং বিএনপি ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। গতকাল রোববার সারা দেশে ৬৪টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৩ হাজার ৬৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।

সোমবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ফলে আওয়ামী লীগের ২৭৮ জন এবং বিএনপির ৫৫৫ জন প্রার্থী বৈধ প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছে।

গতকাল যাচাই-বাছাইয়ের পর ৭৮৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। আর বৈধ ঘোষণা করা হয় ২ হাজার ২৭৯ জনের মনোনয়নপত্র।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।

গত ২৮ অক্টোবর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট ২৮১ জনকে মনোনয়ন দেয়। অন্যদিকে বিএনপি ৬৯৬ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে কোন আসনে কে প্রার্থী, সে সম্পর্কে দলীয় চিঠি নির্বাচন কমিশনে দিতে হবে। এরপরই জানা যাবে কোন আসনে কারা কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


Ⓒ Prothom Alo
Share:

যাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে আজ রোববার সারা দেশে বিভিন্ন দলের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণখেলাপি, কারাদণ্ডাদেশ পাওয়াসহ নানা কারণে তাঁদের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, বিএনপির নেতা মীর মো. নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে মীর মো. হেলাল উদ্দিনসহ অনেক নেতার।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে সারা দেশে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিলের ওপর শুনানি হবে ৬, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর।

প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী যাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে—

খালেদার তিনটি মনোনয়নপত্রই বাতিল: খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজার কথা উল্লেখ করে ফেনীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদ উজ জামান তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। খালেদা জিয়া ছাড়াও ওই আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূর আহম্মদ মজুমদার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান ও আবুল বাশার চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মামলায় সাজার বিষয়টি উল্লেখ করে বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন বগুড়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ। বগুড়া-৬ আসনে বগুড়া পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ না করায় খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এ কে এম মাহবুবুর রহমানের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়েজ আহাম্মদ বলেন, বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন খালেদা জিয়া। দুর্নীতি মামলায় তাঁর দণ্ড হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে কারাগারে সাজা ভোগ করছেন। এ কারণে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

বিএনপি বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী করেছিল গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ মিলটনকে। তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেননি উল্লেখ করে তাঁর মনোনয়নপত্রও বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এদিকে বগুড়া-৬ আসনে জাকের পার্টির ফয়সাল বিন শফিক এবং বগুড়া-৭ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) জেলা সভাপতি মোস্তফা আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মোস্তফা আলম আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও তাঁর দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ঢাকা মহানগরে বাতিল ৫২ : ঢাকা মহানগরের মোট ১৫টি আসনে (ঢাকা-৪ থেকে ঢাকা-১৮) বিভিন্ন দলের ২১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১৬১টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাতিল করা হয়েছে ৫২টি।

এর মধ্যে বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঢাকা-১৭ আসনে সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঢাকা-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সেলিম ভূঁইয়া ঋণখেলাপি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র বলছে, ঢাকা-৬ আসনে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঢাকা-৫ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৩ জন। ৯ জনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা-৪ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১৫ জন। বাতিল করা হয়েছে ৬ জনের। ঢাকা-৪ আসনে বিকল্প ধারার কবির হোসেনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

মীর মো. নাছির উদ্দিনমীর মো. নাছির উদ্দিন

মীর নাছির ও তাঁর ছেলের মনোনয়নপত্র বাতিল: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে বিএনপির নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে মীর মো. হেলাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মামলা রয়েছে উল্লেখ করে ওই দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান।

সাকা চৌধুরীর ভাই-ভাতিজার মনোনয়নপত্র বাতিল: মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ভাই ও ভাতিজার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে সাকা চৌধুরীর ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে সামির কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম–৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ঋণ খেলাপের কারণে তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল: খেলাপি ঋণের কারণে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) এবং টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল-১ ও টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীসহ আরও অন্তত ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম আজ রোববার দুপুরে যাচাই-বাছাইয়ের পর ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন ত্রুটির কারণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এসব মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

জাপা মহাসচিব ও বিএনপির রনির মনোনয়নপত্র বাতিল: ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে পটুয়াখালী-১ আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব (জাপা) এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী গোলাম মামলা রনির মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। রোববার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

রেজা কিবরিয়ারেজা কিবরিয়া
রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল:
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে গণফোরামের প্রার্থী অর্থনীতিবিদ রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঋণখেলাপির কথা উল্লেখ করে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদুল কবীর মুরাদ। রেজা কিবরিয়া সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে। এ ছাড়াও সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীসহ তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে কেয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

বিএনপির আসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল: ঋণ খেলাপের কারণে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। বিএনপির আরেক প্রার্থী এ কে এম আবু তাহেরের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। তিনি দলীয় মনোনয়নের চিঠি জমা না দিয়ে দলটির প্রার্থী হতে চেয়েছেন।
এ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভুঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সামছুল আলম হাসেমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল: ইমরান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরসহ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তালিকায় দেওয়া তাঁদের সমর্থক ভোটারের সংখ্যায় কোনো ঘাটতি নেই। হয়তো ক্রমিক সংখ্যায় ভুল থাকতে পারে, যা সংশোধন করা যায়। তিনি আপিল করবেন। তথ্যগত ভুল থাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. জাকির হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক সাংসদ।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুরুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
দুলুসহ ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল:
নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। দুটি মামলায় তাঁর দণ্ডাদেশ থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলাউদ্দিন মৃধার মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে।
আজ রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার চারটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুটি মামলায় রুহুল কুদ্দুস তালুকদারকে নিম্ন আদালত দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে আপিল করলেও আদালত সাজা বহাল রাখেন। এ কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি।

হিরো আলম টিকলেন না : বগুড়ার আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

-সূত্র: প্রথম আলো
Share:

জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। জামায়াতে ইসলামির মতো অপশক্তি ধর্মকে ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে ইসলামের ক্ষতি করছে।

এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ।
শনিবার দুপুরে নীলফামারী শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে ধর্ম-জ্ঞান বিকাশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণা আলেম সমাজের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সময় জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে। এর নেপথ্যে ছিলো মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি জামায়াত। বাংলাদেশকে মনে প্রাণে গ্রহণ করতে না পেরে নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম রিন্টু বক্তব্য দেন।

ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এরফান আলীর সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন কার্যালয়ের মাস্টার ট্রেইনার শামিমুল ইসলাম।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মশিউর রহমান।
Share:

জেনে নিন জ্বরঠোসা হওয়ার কারণ এবং এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায়

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
আমাদের অনেকের ধারণা রাতে রাতে জ্বর আসলেই নাকি জ্বরঠোসা হয়। আসলে কতটুকু সত্যি তা আমরা আজকের লেখা থেকে জানতে চেষ্টা করবো। জ্বরঠোসা সত্যিকারে শুধুমাত্র জ্বরের কারণে হয়ে থাকে না। এর একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। আজকে এটি সম্পর্কে আমরা জানাবো। ঠোটের কোণায় কিংবা বর্ডারে একগুচ্ছ ফুসকুড়ি। সাধারণভাবে আমরা একে বলে থাকি জ্বরঠোস, জ্বর-ঠোসা বা জ্বরঠুঁটো। এটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ফিভার ব্লিস্টার বলেন। প্রকাশ পাবার ২-৩ দিনের মধ্যে ব্লিস্টারে ব্যথা অনুভব হলে তখন একে বলা হয় কোল্ড সোর।

লক্ষণ: ঠোটের কোণে, বর্ডারে বা বর্ডারের আশেপাশে গুচ্ছ-বদ্ধ ফুসকুড়ি, জ্বর, ব্যথা, বমিভাব কিংবা বমি, মাথাব্যথা।

কেন হয়: সাধারণভাবে আমরা মনে করি জ্বর আসার লক্ষণ হিসেবে এই ফুসকুড়ি উঠেছে। আসলে তা নয়। ফিভার ব্লিস্টারের কারণ হচ্ছে HSV-1 ইনফেকশন। এই ইনফেকশনের  কারণেই জ্বর আসে! তবে হ্যাঁ,জ্বরের কারণেও ফিভার ব্লিস্টার হতে পারে যদি সেই জ্বর অন্যকোন ইনফেকশনের কারণে হয় যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।

যাদের বেশি হয়: একটা বিশেষ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০% মানুষই HSV-1 এ আক্রান্ত থাকেন। কিন্তু বেশিরভাগই সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং দশ বছর বয়সে প্রথম প্রকাশ পায়। প্রথমবার হওয়া ফিভার ব্লিস্টার সেরে যাবার পর HSV-1 স্নায়ুকোষে লুকিয়ে থাকে এবং জীবনে বারবার এর প্রকাশ ঘটে।

নিম্নোক্ত কারণগুলোর জন্য ফিভার ব্লিস্টার পুনরায় প্রকাশিত হতে পারে: কোন ইনফেকশন। মানসিক চাপ। মেয়েদের মাসিকের সময়। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি। সাধারণভাবে ৭-১৪ দিন উপসর্গ বর্তমান থাকলেও ৮-১০ দিনের মধ্যে মধ্যে ফিভার ব্লিস্টার এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। তবে প্রথম সপ্তাহে অ্যান্টি-ভাইরাল জেল লাগালে আরোগ্যে দ্রুত হয়। তবে ১৪ দিনের বেশি সময় ব্যথাযুক্ত ফিভার ব্লিস্টার থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে খালি চোখে দেখেই ফিভার ব্লিস্টার সনাক্ত করা অনেকটাই সম্ভব। তবে ব্লিস্টারের ভিতরের তরল থেকে ডিরেক্ট ইমিউনোফ্লুরোসেন্স টেস্ট বা পলিমারেজ চেইন রিএ্যাকশনের মাধ্যমে ভাইরাস সনাক্ত করা যেতে পারে।

প্রতিরোধ:
১. ব্যবহৃত পানির গ্লাস, চামচ, লিপস্টিকসহ অন্যান্য কসমেটিক্স কারো শেয়ার না করা। ২. ছোটদের চুমু না দেয়া।
৩. ব্লিস্টার স্পর্শ করলে ভালো করে হাত ধুয়ে ফেলা।
৪. মানসিক চাপ মুক্ত থাকা।
৫. চুম্বন এবং ওরাল সেক্স থেকে বিরত থাকা।
৬. সানস্ক্রিন ক্রিম, লিপ-বাম ব্যবহার করা।
৭. পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন।
© DMCA.com
Share:

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে বিমান সেনা নিয়োগ

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
শুধুমাত্র নন-টেকনিক্যাল ট্রেড
নির্বাচনি পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ০৮.০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এসএসসিতে যে কোন শাখায় ন্যুনতম জিপিএ-৩.৫/সমমান।

নির্বাচনি পরীক্ষার বিষয়সমূহ:
নন-টেকনিক্যাল ট্রেড আই কিউ, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান এবং স্বাস্থ্যগত ও মৌখিক পরীক্ষা।

অন্যান্য যোগ্যতা
জাতীয়তা : বাংলাদেশী পুরুষ নাগরিক
বয়স : ১৬ হতে ২১ বছর (৩১ র্মাচ ২০১৯ তারিখে) বয়সের ক্ষেত্রে এফিডেবিট গ্রহণযোগ্যতা নয়।
বৈবাহিক অবস্থা : অবিবাহিত
উচ্চতা  : ন্যূনতম ১.৬৩ মি (৫ফুট ৪ইঞ্চি)
ওজন  : বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী
বুকের মাপ : ন্যুনতম ৩০ ইঞ্চি, প্রসারণ: ২ ইঞ্জি।
চোখ : ৬/৬ এবং স্বাভাবিক দৃষ্টি সম্পন্ন (বর্ণাক্ষ গ্রহণযোগ্য নয়)

অযোগ্যতা:
১। সেনা/নৌ/বিমান বাহিনী অথবা অন্য কোন সরকারি চাকরি হতে বরখাস্ত/অপসারিত/সেচ্ছায় অবসর গ্রহণ।
২। যে কোন ফৌজদারী অপরাধের জন্য আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত।
৩। সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিষিদ্ধ ঘোষিত।

আবেদনপত্র সংগ্রহের নিয়মাবলী:
সেন্ট্রাল নন-পাবলিক ফান্ড, বিএএফ এর অনুকূলে ২০০/- টাকা, মূল্যের মেশিন রিডেবল ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার (অফেরত যোগ্য)-এর বিনিময়ে প্রতি কার্য দিবসে ৮.০০ হতে ১৪ ঘটিকা পর্যন্ত (পরিক্ষার তারিখের ন্যুনতম ১ দিন পূর্বে) আবেদনপত্র সংগ্রহ করা হবে। ব্যাংক ড্রাফট অবশ্যই টিবিএল,
অগ্রণী, সোনালী, রূপালী ও জনতা ব্যাংক শাখায় পরিশোধযোগ্য হতে হবে।
বি.দ্র: ভাজঁ করা ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদনপত্র সংগ্রহের স্থানসমূহ:
*বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সকল ঘাঁটি ও ইউনিটসমূহ।
* বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথ্য ও নির্বাচনী কেন্দ্র, পুরাতন বিমানবন্দর, তেজগাঁও, ঢাকা।

অনলাইনে  আবেদনরে নিয়মাবলী:
১।সরাসরি ওয়েবসাইট হতে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দেয়া যাবে। অনলাইন পদ্ধতিতে www.joinbengladeshairforce.milbd ওয়েবসাইটে লগইন করে অথবা Join BAF  অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ-এ Apply Now ট্যাবে এ ক্লিক করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

২। আবেদনপত্র পূরণের সময় আবেদনকারীগণ আবেদপত্রের মূল্য বাবদ টি-ক্যাশ এর মাধ্যমে টাকা জমা দিতে পারবেন। এছাড়া গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং এয়ারটেল গ্রাহকগণ ব্যক্তিগত বিকাশ ওয়ালেট এর মাধ্যমে বিএএফ বিকাশ ওয়ালেট-০১৭৬৯৯৯০২৮৯ অথবা ব্যক্তিগত রকেট ওয়ালেট বা ডিবিবিএল এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ২৫২৫ ডিলার আইডি ব্যবহার করে আবেদনপত্রের মূল্য জমা দিতে পারবেন।

৩। আবেদনপত্রের নির্ধারিত অংশ অনলাইনের মাধ্যমে পূরণ করে প্রাথমিক লিখিত পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।

ক. অসম্পূর্ন আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
খ. অনলাইন আবেদনপত্র সদ্য তোলা রঙিন  ছবির মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনপত্র জমাদানের নিয়মাবলী:
প্রার্থীদের স্বহস্থে আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করত: পরীক্ষার সময় নিম্নবর্ণিত সনদসহ পরিক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে।

১। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সাময়িক সনদ, প্রশংসাপত্র এবং নম্বরপত্রসমূহের সত্যায়িত ফটোকপি।

২। নাগরিকত্ব, চারিত্রিক সনদ, বৈবাহিক অবস্থা ও স্থায়ী ঠিকানার সনদ জমা দিতে হবে। উক্ত সনদ স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ/ মিউনিসিপ্যাল/ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার অথবা প্রথম শ্রেণির গেজেটেড  কর্মকর্তার নিকট হতে আনতে হবে। উক্ত সনদের সাথে সনাক্তকারীর মোবাইল নাম্বার সংযুক্ত করতে হবে।

৩। সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট আকারের ১২ কপি সত্যায়িত ছবি (অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট ও কালারসহ হতে হবে।

৪। বর্তমান অথবা সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক সনদ।

৫। চাকরিতে প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্ব স্ব কর্মস্থল/ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নিকট হতে প্রার্থীতার জন্য অনুমতিপত্র।

৬। স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।

৭। জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ে খেলাধুলার কোন কৃতিত্বের সনদ থাকলে তার সত্যায়িত ফটোকপি।

৮। মুক্তিযুদ্ধার সন্তান/নাতি/নাতনীর জন্য মুক্তিযুদ্ধার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সরকারি গেজেট ও বিধি মোতাবেক মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত হয়ে জমা দিতে হবে।

৯। দাবীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইকুইভ্যালেন্স কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত ইকুইভ্যালেন্স সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।

১০। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদত্ত সনদের সত্যায়িত কপি।

১১। বর্তমান ঠিকানাসহ ৯ইঞ্চ আকারের একটি ফেরত খাম।

প্রথমিক প্রশিক্ষণ: ৩৬ সপ্তাহ

প্রশিক্ষণকালীন মাসিক বেতন:৯.০০০.০০ টাকা মাসিক (নির্ধারিত)।

প্রত্যেক প্রার্থীকে তার নিজ জেলার জন্য নির্ধারিত ভর্তি পরিক্ষার দিন সকাল ০৮.০০ ঘটিকায় সঠিক ভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র (স্ব হস্তে/অনলাইনে) ও উপরে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় সনদসহ নির্ধারিত পরিক্ষাকেন্দ্রে হাজির হতে হবে।

সতর্কবাণী
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কমিশন অফিসার/বিমান সেনা/এমওডিসি পদে কেবলমাত্র সংবাদপত্রে এবং বিমান বাহিনী ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে  উল্লেখিত তারিখ ও স্থান অনুযায়ী ইউনিফরম পরিহিত রিক্রুটিং টিমের মাধ্যমে পরিক্ষা গ্রহণ করা হয়। কেউ আর্থিক লেনদেনসহ কোন প্রকার প্রতারণা করার চেষ্টা করলে তাকে নিকটস্থ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নিকট সোপর্দ করুন। ভূয়া ঠিকানা ও সনদপত্র অথবা ভূল তথ্য প্রদানের মাধ্যমে বিমান বাহিনীতে ভর্তির তথ্য উদঘাটিত হলে চাকরির যে কোন পর্যায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা (বরখাস্তকরনসহ) গ্রহণ করা হবে।

ভর্তির ব্যাপারে কোন অসৎ ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করে প্রতারিত হবেন না।

বিশেষ সুযোগ সুবিধা: উচ্চতর শিক্ষা, যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিদেশে প্রশিক্ষণ, ইউএন মিশন, ভর্তুকি মূল্য রেশন, বাসস্থান চিকিতসা সহ সন্তানের বিএএফ শাহীন কলেজ, তে অধ্যায়নের সুযোগ।

রিক্রুটমেন্ট পরিধপ্তর:
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দপ্তর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
যোগাযোগ করুন:
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথ্য ও নির্বাচনী কেন্দ্র
পুরান বিমানবন্দর, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫
ফোন: ০২৫৫৯০০০০  সম্প্রসারণ:   ৫৬৯৬, ০১৭৬৯৯৯০০১
(সকাল ০৯টা, দুপুর ০২টা)

বিভাগ ও জেলাভিত্তিক পরীক্ষার স্থান এবং তারিখ
বিভাগ
তারিখ
নির্ধারিত জেলা
ঢাকা
১১ ডিসেম্বর ২০১৮
ঢাকা
মুন্সীগঞ্জ
১২ ডিসেম্বর ২০১৮
টাঙ্গাইল
নারায়নগঞ্জ
১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
নরসিংদী
গাজীপুর
মাদারীপুর
১৭ ডিসেম্বর ২০১৮
গোপালগঞ্জ
মানিকগঞ্জ
কিশোরগঞ্জ
ময়মনসিংহ
১৮ ডিসেম্বর ২০১৮
ময়মনসিংহ
চট্রগ্রাম
১৯ ডিসেম্বর ২০১৮
চট্রগ্রাম
ব্রাহ্মনবাড়িয়া
২০ ডিসেম্বর ২০১৮
লক্ষীপুর
চাঁদপুর
ফেনী
২৩ ডিসেম্বর ২০১৮
নোয়াখালী
কুমিল্লা
কক্সবাজার
রাজশাহী
২৪ ডিসেম্বর
বগুড়া
২৬ ডিসেম্বর
নওগাঁ
পাবনা
খুলনা
২৭ ডিসেম্বর
যশোর
ঝিনাইদহ
১ জানুয়ারী ২০১৯
কুষ্টয়িা
বাগেরহাট
বরিশাল
৩ জানুয়ারী ২০১৯
বরিশাল
ভোলা
৬ জানুয়ারী ২০১৯
পিরোজপুর
পটুয়াখালী
সিলেট
৮ জানুয়ারী ২০১৯
সিলেট
মৌলভীবাজার
১০ জানুয়ারী ২০১৯
হবিগঞ্জ
সুনামগঞ্জ

১৩ জানুয়ারী ২০১৯
রংপুর
কুড়িগ্রাম
রংপুর
১৫ জানুয়ারী ২০১৯
গাইবান্ধা
ঠাকুরগাঁও
পচ্ঞগড়

নীলফারমারী

১৭জানুয়ারী ২০১৯
দিনাজপুর
লালমনিরহাট

বি.দ্র. পরীক্ষাকেন্দ্রে সকল প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস (মোবাইল, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি)
এবং ব্যাগ বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

বিস্তারিত তথ্য ও অনলাইনে আবেদন করতে লগইন করুন। www.joinbangladeshairforce.mil.bd
Share:

নির্বাচনী তথ্য কণিকা || উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৪ অনুযায়ী সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলো ইত্যাদি ব্যবহার-
(১) সরকারি ডাক বাংলো, রেস্ট হাউজ, সার্কিট হাউজ বা কোন সরকারি কার্যালয়কে কোন দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা যাইবে না।

(২) কোন প্রার্থী কিংবা তাহার পক্ষ হইতে অন্য কোন ব্যক্তিকে সরকারি ডাক বাংলো, রেস্ট হাউজ ও সার্কিট হাউজ ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথম আবেদনের ভিত্তিতে ব্যবহার সংক্রান্ত নীতিমালা এবং Warrant of Precedence ও প্রাধিকার অনুযায়ী সমঅধিকার প্রদান করিতে হইবে।

(৩) উপবিধি (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্বাচন পরিচালনার কাজে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সরকারি ডাক বাংলো, রেস্ট হাউজ ও সার্কিট হাউজ ব্যবহারের অগ্রাধিকার পাইবেন।

উক্ত আচরণ বিধির ৬ বিধি অনুযায়ী সভা সমিতি অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বাধা নিষেধ-
(১) কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা উহার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি-

(ক) প্রচারণার ক্ষেত্রে সমান অধিকার পাইবেন তবে প্রতিপক্ষের সভা, শোভাযাত্রা এবং অন্যান্য প্রচারাভিযান পন্ড বা উহাতে বাধা প্রদান বা ভীতি সঞ্চারমূলক কিছু করিতে পারিবে না

(খ) সভার দিন, সময় ও স্থান সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে লিখিত অনুমতি গ্রহণ করিবে তবে এইরূপ অনুমতি লিখিত আবেদন প্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে প্রদান করিতে হইবে।

(গ) সভা করিতে চাহিলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা পূর্বে তাহার স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে, যাহাতে ঐ স্থানে চলাচল ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারে।

(ঘ) জনগণের চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি করিতে পারে এমন কোন সড়কে জনসভা কিংবা পথ সভা করিতে পারিবেন না এবং তাহাদের পক্ষে কোন ব্যক্তিও অনুরূপভাবে জনসভা বা পথসভা ইত্যাদি করিতে পারিবে না

(ঙ) কোন সভা অনুষ্ঠানে বাধাদানকারী বা অন্য কোনভাবে গোলযোগ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভার আয়োজকরা পুলিশের শনাণাপন্ন হইবেন এবং এই ধরণের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাহারা নিজেরা ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে না

উক্ত আচরণ বিধির ১৮ বিধি অনুযায়ী এ বিধান লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ
(১) কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অনধিক ছয় মাসের কারাদন্ড অথবা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে অথবা উভয়েদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন

(২) কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবে

ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের ৩ সপ্তাহ পূর্বে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা করা যাবে না

নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলুন
সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে সহায়তা করুন

নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
Share:

জনপ্রিয় পোস্টগুলি