স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৯৮ জনের মধ্যে ৩৮৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার ৪৯৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ১১৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। বাতিল হয়েছে ৩৮৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রার্থিতার সমর্থনে আসনের এক শতাংশ ভোটারের সই না থাকা ও সই না মেলায় বেশির ভাগ মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। স্বতন্ত্র হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত অনেক ‘বিদ্রোহী’ও ছিলেন।

ইসি সূত্র বলছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাছাইয়ে বিএনপির ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তিনজনের। ইসি সূত্র জানায়, গত রোববার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে সারা দেশে বিএনপির ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ২৯৫টি আসনে বিএনপির ৬৯৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে ৫৫৫ জনের। অন্যদিকে আর ২৬৪টি আসনে আওয়ামী লীগের ২৮১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বৈধ হয়েছে ২৭৮ জনের।

২১০টি আসনে জাতীয় পার্টির ২৩৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাছাইয়ে বৈধ হয়েছে ১৯৫ জনের মনোনয়ন, আর ৩৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, ইসিতে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মোট ২ হাজার ৫৬৭ জন দলীয় প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৪০২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যার ১৪১ জনই বিএনপির। গণতন্ত্রী পার্টি ও কল্যাণ পার্টির কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি।

ইসি সূত্র জানায়, অন্য দলগুলোর মধ্যে এলডিপির ১৫ জনের মধ্যে ৩ জন, জেপির ১৭ জনের মধ্যে ৪ জনের, সাম্যবাদী দলের ৩ জনের মধ্যে ১ জনের, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ৩৭ জনের মধ্যে ৫ জনের, সিপিবির ৭৭ জনের মধ্যে ৮ জনের, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ১৪ জনের মধ্যে ৩ জনের, ওয়ার্কার্স পার্টির ৩৩ জনের মধ্যে ১ জনের, বিকল্প ধারার ৩৭ জনের মধ্যে ১৩ জনের, জাসদের (ইনু) ৫৩ জনের মধ্যে ১৪ জনের, জেএসডির (রব) ৫১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের, জাকের পার্টির ১০৮ জনের মধ্যে ৩৫ টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের ৪৯ টির মধ্যে ৬ টি, বিজেপির ১১ টির মধ্যে ৫ টি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ১৫ টির মধ্যে ১ টি, গণফোরামের ৬১ জনের মধ্যে ১৭ জনের, গণফ্রন্টের ১৬ জনের মধ্যে ২, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের ১৬ জনের মধ্যে ২ জনের, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (কাঁঠাল) ১৩ জনের ২ জনের, ইসলামি ফ্রন্ট বাংলাদেশের ২৮ জনের মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়।

এ ছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী ছিলেন ৩২ জন, বাতিল ৯ জনের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ১২ জন প্রার্থীর ৩ জনের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৯৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জনের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির ৬ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ৩০ জনের মধ্যে ৩ জনের, মুসলিম লীগের ১৭ প্রার্থীর ১১ জন, বিএনএফের ৭১ প্রার্থীর ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

Ⓒ প্রথম আলো
Share:

মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা: বিএনপি ১৪১ এবং আওয়ামী লীগ ৩

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে আওয়ামী লীগের ৩ জন এবং বিএনপি ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। গতকাল রোববার সারা দেশে ৬৪টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৩ হাজার ৬৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।

সোমবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ফলে আওয়ামী লীগের ২৭৮ জন এবং বিএনপির ৫৫৫ জন প্রার্থী বৈধ প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছে।

গতকাল যাচাই-বাছাইয়ের পর ৭৮৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। আর বৈধ ঘোষণা করা হয় ২ হাজার ২৭৯ জনের মনোনয়নপত্র।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর।

গত ২৮ অক্টোবর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট ২৮১ জনকে মনোনয়ন দেয়। অন্যদিকে বিএনপি ৬৯৬ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে কোন আসনে কে প্রার্থী, সে সম্পর্কে দলীয় চিঠি নির্বাচন কমিশনে দিতে হবে। এরপরই জানা যাবে কোন আসনে কারা কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


Ⓒ Prothom Alo
Share:

যাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে আজ রোববার সারা দেশে বিভিন্ন দলের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণখেলাপি, কারাদণ্ডাদেশ পাওয়াসহ নানা কারণে তাঁদের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, বিএনপির নেতা মীর মো. নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে মীর মো. হেলাল উদ্দিনসহ অনেক নেতার।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে সারা দেশে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিলের ওপর শুনানি হবে ৬, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর।

প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী যাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে—

খালেদার তিনটি মনোনয়নপত্রই বাতিল: খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজার কথা উল্লেখ করে ফেনীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদ উজ জামান তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। খালেদা জিয়া ছাড়াও ওই আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূর আহম্মদ মজুমদার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান ও আবুল বাশার চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মামলায় সাজার বিষয়টি উল্লেখ করে বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন বগুড়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ। বগুড়া-৬ আসনে বগুড়া পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ না করায় খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এ কে এম মাহবুবুর রহমানের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়েজ আহাম্মদ বলেন, বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন খালেদা জিয়া। দুর্নীতি মামলায় তাঁর দণ্ড হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে কারাগারে সাজা ভোগ করছেন। এ কারণে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

বিএনপি বগুড়া-৭ আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী করেছিল গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ মিলটনকে। তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেননি উল্লেখ করে তাঁর মনোনয়নপত্রও বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এদিকে বগুড়া-৬ আসনে জাকের পার্টির ফয়সাল বিন শফিক এবং বগুড়া-৭ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) জেলা সভাপতি মোস্তফা আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মোস্তফা আলম আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও তাঁর দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ঢাকা মহানগরে বাতিল ৫২ : ঢাকা মহানগরের মোট ১৫টি আসনে (ঢাকা-৪ থেকে ঢাকা-১৮) বিভিন্ন দলের ২১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১৬১টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাতিল করা হয়েছে ৫২টি।

এর মধ্যে বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঢাকা-১৭ আসনে সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঢাকা-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সেলিম ভূঁইয়া ঋণখেলাপি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র বলছে, ঢাকা-৬ আসনে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঢাকা-৫ আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৩ জন। ৯ জনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা-৪ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১৫ জন। বাতিল করা হয়েছে ৬ জনের। ঢাকা-৪ আসনে বিকল্প ধারার কবির হোসেনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

মীর মো. নাছির উদ্দিনমীর মো. নাছির উদ্দিন

মীর নাছির ও তাঁর ছেলের মনোনয়নপত্র বাতিল: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে বিএনপির নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. নাছির উদ্দিন ও তাঁর ছেলে মীর মো. হেলাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মামলা রয়েছে উল্লেখ করে ওই দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান।

সাকা চৌধুরীর ভাই-ভাতিজার মনোনয়নপত্র বাতিল: মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ভাই ও ভাতিজার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে সাকা চৌধুরীর ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে সামির কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম–৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ঋণ খেলাপের কারণে তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল: খেলাপি ঋণের কারণে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) এবং টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল-১ ও টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীসহ আরও অন্তত ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম আজ রোববার দুপুরে যাচাই-বাছাইয়ের পর ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন ত্রুটির কারণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এসব মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

জাপা মহাসচিব ও বিএনপির রনির মনোনয়নপত্র বাতিল: ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে পটুয়াখালী-১ আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব (জাপা) এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী গোলাম মামলা রনির মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। রোববার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

রেজা কিবরিয়ারেজা কিবরিয়া
রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল:
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে গণফোরামের প্রার্থী অর্থনীতিবিদ রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঋণখেলাপির কথা উল্লেখ করে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদুল কবীর মুরাদ। রেজা কিবরিয়া সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে। এ ছাড়াও সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীসহ তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে কেয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

বিএনপির আসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল: ঋণ খেলাপের কারণে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। বিএনপির আরেক প্রার্থী এ কে এম আবু তাহেরের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। তিনি দলীয় মনোনয়নের চিঠি জমা না দিয়ে দলটির প্রার্থী হতে চেয়েছেন।
এ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভুঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সামছুল আলম হাসেমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল: ইমরান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরসহ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তালিকায় দেওয়া তাঁদের সমর্থক ভোটারের সংখ্যায় কোনো ঘাটতি নেই। হয়তো ক্রমিক সংখ্যায় ভুল থাকতে পারে, যা সংশোধন করা যায়। তিনি আপিল করবেন। তথ্যগত ভুল থাকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. জাকির হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক সাংসদ।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুরুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
দুলুসহ ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল:
নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। দুটি মামলায় তাঁর দণ্ডাদেশ থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলাউদ্দিন মৃধার মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে।
আজ রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার চারটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুটি মামলায় রুহুল কুদ্দুস তালুকদারকে নিম্ন আদালত দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে আপিল করলেও আদালত সাজা বহাল রাখেন। এ কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি।

হিরো আলম টিকলেন না : বগুড়ার আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

-সূত্র: প্রথম আলো
Share:

জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। জামায়াতে ইসলামির মতো অপশক্তি ধর্মকে ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে ইসলামের ক্ষতি করছে।

এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ।
শনিবার দুপুরে নীলফামারী শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে ধর্ম-জ্ঞান বিকাশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণা আলেম সমাজের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সময় জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে। এর নেপথ্যে ছিলো মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি জামায়াত। বাংলাদেশকে মনে প্রাণে গ্রহণ করতে না পেরে নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম রিন্টু বক্তব্য দেন।

ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এরফান আলীর সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন কার্যালয়ের মাস্টার ট্রেইনার শামিমুল ইসলাম।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মশিউর রহমান।
Share:

জনপ্রিয় পোস্টগুলি