বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে ৩৩৯ জনবল নিয়োগ-২০১৯

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও এর আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত নিন্মে বর্ণিত শূন্য পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের লক্ষ্যে প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিকট হতে আবেদন পত্র আহবান করা যাচ্ছেঃ

ক্রমিক
পদের নাম ও কার্যালয়
গ্রেড ও বেতন স্কেল
পদের সংখ্যা
প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
যে সকল জেলার অধিবাসীগন আবেদন করতে পারবেন
০১
ক্যাটালগার (উচ্চ স্কেল)
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয়]
গ্রেড-১২ (১১৩০০-২৭৩০০/-)
০১
ক) কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ২য় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ-তে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি;
খ) Word processing এর অভিজ্ঞতাসহ কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।
সকল জেলার প্রার্থী।
০২
সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর
[আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়]
গ্রেড-১৩
(১১০০০-২৬৫৯০/-)
০৯
ক) স্বীকৃত বোর্ড হতে উচ্চ মাধ্যমিক (এই,এস,সি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে;
খ) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে;
গ) কম্পিউটারে Word processing সহ ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
ঘ) প্রার্থীকে অবশ্যই (১) সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে বাংলা ৫০ শব্দ ও ইংরেজিতে ৮০ শব্দ (২) কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলা ২৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি সম্পন্ন হতে হবে।
০৩
সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয়]
গ্রেড-১৩
(১১০০০-২৬৫৯০/-)
০৯
ক) কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি;
খ) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে;
গ) কম্পিউটারে Word processing সহ ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
ঘ) প্রার্থীকে অবশ্যই (১) সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে বাংলা ৪৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ (২) কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলা ২৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি সম্পন্ন হতে হবে।
ঙ) বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বৎসর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
০৪
উচ্চমান সহকারী
[নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়]
গ্রেড-১৪
(১০২০০-২৪৬৮০/-)
১৩
ক) কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ২য় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ-তে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি;
খ) Word processing এর অভিজ্ঞতাসহ কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।
০৫
হিসাব সহকারী
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়]
গ্রেড-১৪
(১০২০০-২৪৬৮০/-)
২১
ক) কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বানিজ্যে ২য় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ-তে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি;
খ) Word processing এর অভিজ্ঞতাসহ কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।
০৬
স্টোর কিপার
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়]
গ্রেড-১৪
(১০২০০-২৪৬৮০/-)
৫৮
ক) কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি;
খ) Word processing এর অভিজ্ঞতাসহ কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।
০৭
অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়]
গ্রেড-১৬
(৯৩০০-২২৪৯০/-)
৯৭
ক) স্বীকৃত বোর্ড হতে এইচ, এস, সি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে;
খ) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে;
গ) কম্পিউটারে Word processing  সহ ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
ঘ) প্রার্থীকে অবশ্যই কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলা ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি সম্পন্ন হতে হবে।
ঙ) বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বৎসর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
০৮
অফিস সহায়ক
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়]
গ্রেড-২০
(৮২৫০-২০০১০/-)
১১৪
কোন স্বীকৃত বোর্ড হতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা অষ্টম শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে;
ঢাকা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, শরিয়তপুর, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, ঠাকুরগাও, খুলনা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ভোলা, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং সুনামগঞ্জ। তবে সকল জেলার এতিম ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন।
০৯
নিরাপত্তা প্রহরী
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়]
গ্রেড-২০
(৮২৫০-২০০১০/-)
০৯
কোন স্বীকৃত বোর্ড হতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা অষ্টম শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে;
১০
পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ঝাড়ুদার)
[নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়]
গ্রেড-২০
(৮২৫০-২০০১০/-)
০৮
কোন স্বীকৃত বোর্ড হতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা অষ্টম শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে;


বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে ৩৩৯ জনবল  নিয়োগ-২০১৯

আবেদন শুরুর তারিখঃ ০৫-০২-২০১৯ ইংআবেদন জমার শেষ তারিখঃ ২৫-০২-২০১৯ ইং


Apply Now






Share:

অনলাইন ফার্মেসী, অর্ডার দেয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে হোম ডেলিভারী

অনলাইন ফার্মেসী, অর্ডার দেয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে হোম ডেলিভারী, TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
হঠাৎ করে একটি ঔষধ দরকার কিন্তু কাছের কোন ফার্মেসী তেই পাচ্ছেন না। অথবা এমন একটি ঔষধ এর প্রয়োজন যা চেনাজানা কোন ফার্মেসী তে পাচ্ছেন না। এমন সমস্যায় আমরা প্রায়ই পড়ি। অনেক সময় এই ঔষধ ফার্মেসী খুজতে খুজতে ঔষধের প্রয়োজনই শেষ হয়ে যায় বা খুব বেশি দেরি হয়ে যায়।

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আপনার এরকম শত সমস্যার সমাধান হয়ে এসেছে “ফার্মেসী.কম.বিডি “ আমাদের মাধ্যমে ঢাকা শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বা অফিসে বসে ঔষধের হোম ডেলিভারি পেতে পারেন। অর্ডার দেয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা আপনার বাসা অথবা অফিসে গিয়ে আপনার চাহিদা মত ঔষধ সরবরাহ করি।

আমাদের চেষ্টা থাকবে যত দ্রুত সম্ভব ডেলিভারি দেয়া। তাই আমরাই সবচেয়ে সুলভে ভালো ওষুধ সরবরাহ করি। অনলাই‌নে ঔষধ কিন‌তে প্রেস‌ক্রিপশন এর ছ‌বি তু‌লে অথবা স্কান ক‌রে আমা‌দের ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুক পেই‌জের পাঠি‌য়ে দিন। আমা‌দের অ‌ভিজ্ঞ ফার্মা‌সিস্ট প্রেস‌ক্রিপশন দে‌খে ঔষধ রে‌ডি ক‌রে দি‌বেন। আবার এমনো হয় যে প্রচন্ড মাথা ব্যথায় ভুগছেন, কিন্তু কোন ঔষধ খাবেন বুঝতে পারছেন না।

এই বিষয়টা নিয়ে ডাক্তার এর কাছে যাওয়াটাও ঠিক হবে না বলে মনে হচ্ছে। এরকম অনেক সময়ই আমরা ছোটখাটো অসুখ বা সমস্যায় ভুগি যার কারনে ডাক্তার এর কাছে যাওয়া হয় না। ঔষধ ও খাওয়া হয় না এবং সেটিকে ছোট বলে অবহেলা করি এবং ভুগেই যাই। আবার অনেকেই নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হয়। যেগুলো সঠিক সময়ে সেবন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আর এসব ঔষধ প্রায়ই কাছের ফার্মেসিতে পাওয়া যায়না তাই ঔষধ শেষ হয়ে গেলে কিনতে যেতে হয় অনেক দূর। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আপনার এরকম শত সমস্যার সমাধান হয়ে এসেছে ফার্মেসী.কম.বিডি বাংলাদেশের প্রথম হেলথ ই-স্টোর। আমাদের মাধ্যমে ঢাকা শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বা অফিসে বসে ঔষধের হোম ডেলিভারি পেতে পারেন।

ঔষধের প্যাকেটের গায়ে লেখা সরবচ্চ খুচরা মূল্যের (এমাআরপি) অতিরিক্ত যাতায়াত ভাড়া বাবদ স্থানাভেদে ৫০ হতে ১০০ টাকা চার্জ করে থাকি। আমাদের এই যাত্রায় আপনাদের মতামত, উপদেশ ও সহযোগিতা চাই।

যোগাযোগ:
মোবাইলঃ +8801999997603
                +8801999997604
                +8801999997605
ইমেইলঃ info(at)pharmacy.com.bd

আমরা নতুন উদ্যোগ নিয়েছি, কয়েকটা অর্ডার সফলভাবে সম্পন্ন করার পরে আমাদের টার্ম ও কন্ডিশন গুলো রিভিউ করবো ইনশাল্লাহ। আমাদের এই নতুন যাত্রায় আপনাদের মতামত, উপদেশ ও সহযোগিতা চাই। সবাই সুস্থ থাকুন। আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ। সবাই সুস্থ থাকুন। ফার্মেসী.কম.বিডি

Pharmacy.Com.BD is a trusted Bangladesh online medical store. Order prescription/OTC medicines online. Cash on Delivery available. FREE Delivery on orders of BDT 1000 or more.

By verifying international online pharmacies and providing online pharmacy drug price comparisons, Pharmacy.Com.BD experts help you get the best deal without sacrificing your health and safety.

In our thrust to give our customers the power of choice, we carry a full range of medicines, including branded and generic drugs, to fit all budgets and personal preferences. Our full-featured e-commerce website allows you to order our products in the comfort of your home, office or anywhere you have Internet access 24 hours a day, 7 days a week.

For details visit: pharmacy.com.bd
Share:

সার্টিফিকেটে নাম বা জন্ম তারিখ ভুল হলে কী করবেন?


সাইফুর রহমান সাইফ গত বছর বগুরা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন। কয়েকদিন পর নিজের নম্বরপত্রটি যখন হাতে পেলেন তখন চোখ তাঁর কপালে।  কারণ, নম্বরপত্রে সাইফ আলীর নাম ভুলে হয়ে গেছে ছাদ্দাম আলী। এ নিয়ে সাইফ আলী বেশ ভাবনায় পড়ে গেলেন। কী করবেন এখন? আর যাই হোক, নম্বরপত্রে তো নিজের নাম ভুল রাখা যায় না।

সাইফের মতো অনেককেই এই রকম বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়।  নিজের নাম তো বটেই, অনেক ক্ষেত্রে বাবা বা মায়ের নামও ভুল লেখা হয় সনদে। সার্টিফিকেটে নাম, জন্মতারিখ বা অন্য যেকোনো তথ্য ভুল লেখা হলে কী করবেন, কীভাবে তা সংশোধন করবেন তা বুঝতে পারেন না অনেকেই। দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সার্টিফিকেটে নামের বানান বা জন্মতারিখ ভুল হলে গড়িমসি না করে যত দ্রুত সম্ভব এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

জন্মতারিখ ভুল হলে পাসের সাল থেকে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সংশোধন করতে হয়। সাধারণত এর পর আর তা সংশোধন করা হয় না। তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা করা হয়। আসুন জেনে নিই কী করতে হবে-

১ম ধাপঃ
নাম বা জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটারি বা এফিডেভিট করাতে হবে। পরে একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেট নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা, পরীক্ষার সাল, পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম, রোল নম্বর, বোর্ডের নাম এবং জন্মতারিখ উল্লেখ করে যা সংশোধন করতে চান (প্রার্থীর নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম বা জন্মতারিখ) তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

২য় ধাপঃ
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই বোর্ডে। শিক্ষা বোর্ডের ‘তথ্য সংগ্রহকেন্দ্র’ অথবা ‘বৃত্তি বিভাগ’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের পর তা নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। প্রার্থীর নাম, বাবা বা মায়ের নাম কিংবা জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য (জরুরি ফিসহ) ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়। এ ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে।

৩য় ধাপঃ
আবেদনপত্রের সঙ্গে ব্যাংক ড্রাফটের মূল কপি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত এক কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছে নাম বা জন্মতারিখ সংশোধন সম্পর্কে এফিডেভিট করে তার মূল কপি জমা দিতে হবে। প্রার্থীর নিজের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে তার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়, তাহলে তিনি নিজেই এফিডেভিট করতে পারবেন।

প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ না হয় বা প্রার্থী যদি তার মা-বাবার নাম সংশোধন করতে চান, তাহলে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছ থেকে এফিডেভিট করতে হবে এবং মূল কপি জমা দিতে হবে।

৪র্থ ধাপঃ
নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদন গ্রহণের এক মাসের মধ্যে বোর্ড আবেদনকারী এবং তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকসহ একটি মিটিংয়ে বসে। এ মিটিংয়েই প্রার্থীর আবেদন যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মিটিংয়ে বসার ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই আবেদনকারীর ঠিকানায় চিঠি দিয়ে জানানো হয়। জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিশেষ বিবেচনায় একদিনের মধ্যেও নাম ও জন্মতারিখ সংশোধন করার সুযোগ আছে।
totthoseba, তথ্যসেবা


Share:

ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ফরম (BRTA)

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ)
Bangladesh Road Trasport Authority (BRTA)
ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ফরম
Driving License (DL) Application Form

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) Bangladesh Road Trasport Authority (BRTA) ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ফরম Driving License (DL) Application Form  ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ফরমটি pdf ফরমেটে রয়েছে। প্রথমে পি ফাইলটি download করুন, অতপর প্রিন্ট করে চাহিত তথ্য গুলো দিয়ে সতর্কতার সহিত পূরণ করে BRTA এর কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিন।  ফাইলটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা


 ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন ফরমটি pdf ফরমেটে রয়েছে।  প্রথমে pdf ফাইলটি download করুন, অতপর প্রিন্ট করে চাহিত তথ্য গুলো দিয়ে সতর্কতার সহিত পূরণ করে BRTA এর কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিন।

ফরমটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। 

Share:

আইটি জগতের এক উজ্জল নক্ষত্র স্যার মোস্তাফা জব্বার -এর জীবন বৃত্তান্ত

মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার- এর জীবন বৃত্তান্ত
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি জগতের কিংবদন্তী, একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তাফা জব্বার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জন্য পরিচিত হলেও তাঁর  কর্মকান্ড কেবল এই জগতেই সীমিত নয় । তিনি নিজ গ্রামসহ দেশব্যাপী সাধারণ শিক্ষার প্রসার ও  শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারেও অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন।  তাঁর মাইলফলক কাজের মাঝে রয়েছে কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রয়োগ, প্রচলন ও বিকাশের যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করা, শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার। তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - এর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয়ী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির একজন  সৈনিক হিসেবে কাজ করে তিনি অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছেন।

তথ্যপ্রযুক্তি ও সাধারণ বিষয়ের ওপর অনেকগুলো বইয়ের লেখক, কলামিস্ট ও সমাজকর্মী জনাব মোস্তাফা জব্বার এরই মাঝে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেকগুলো পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশে মোস্তাফা জব্বার ১৯৮৭ সাল থেকেই নিরলসভাবে কাজ করছেন। তাঁরই প্রচেষ্টায় গৃহীত  পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে কম্পিউটার আমদানীর ওপর শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার হয়। তিনি বাংলাদেশ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য রপ্তানীতে নগদ সহায়তা পাবার উদ্যোগের সফল নেতৃত্ব দেন। তিনিই বাংলাদেশকে একটি আমদানীকারক দেশ থেকে উৎপাদক ও রপ্তানীকারকের দেশে পরিণত করার জন্য সরকারের ইতিবাচক নীতিমালাসমূহ প্রণয়নে উদ্যোগী ভূমিকা রাখেন। তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা, সম্প্রচার নীতিমালা, অনলাইন নীতিমালা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সম্প্রচার আইন ও কপিরাইট আইনসহ ডিজিটাল আইন কাঠামো তৈরিতে তিনি ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। 

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রীপ্রাপ্ত মোস্তাফা জব্বারের পৈত্রিক নিবাস নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী থানার কৃষ্ণপুর গ্রামে। ১৯৪৯ সালের ১২ই আগষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার চর চারতলা গ্রামের নানার বাড়ীতে তাঁর জন্ম। মোস্তাফা জব্বারের বাবা আব্দুল জব্বার তালুকদার পাটের ব্যবসায়ী ও সম্পন্ন কৃষক ছিলেন। তাঁর দাদা আলিমুদ্দিন মুন্সি ছিলেন বিশাল ভূ-সম্পত্তির মালিক, যার উপাধি ছিল তালুকদার। তাঁর মা রাবেয়া খাতুন একজন  গৃহিণী । তিনি দাদা ও বাবা প্রতিষ্ঠিত নিজ গ্রামের প্রাইমারি স্কুল থেকে  ১৯৬০ সালে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষা সম্পন্ন করেন। নিকটবর্তী ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে কোন হাইস্কুল না থাকায় তিনি  বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার অধীনস্থ  বিরাট নামক একটি গ্রামের হাইস্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেন।


ঢাকা কলেজ  থেকে  ১৯৬৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে ১৯৭২ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতক সম্মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ সালের পরীক্ষা ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন করে দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে মোস্তাফা জব্বার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর বাড়ীর পাশের সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ১৬১ জন রাজাকার যুদ্ধোত্তরকালে তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করে ।  ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য চর্চা, সাংবাদিকতা, নাট্য আন্দোলন; এসবের মাঝে ব্যাপকভাবে জড়িত ছিলেন। ৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁর লেখা বাংলাদেশের প্রথম গণনাট্য “এক নদী রক্ত”  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্রে মঞ্চস্থ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে  তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অন্যতম নেতা ছিলেন। 

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
১৯৭৩ সালে তিনি ছাত্রলীগের পক্ষে নির্বাচন করে সূর্যসেন হলের নাট্য ও প্রমোদ সম্পাদক নির্বাচিত হন।  স্বাধীনতার আগে তিনি সাপ্তাহিক জনতা পত্রিকায় লেখালেখির সাথে যুক্ত ছিলেন। ছাত্র থাকাকালেই মোস্তাফা জব্বারের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে।  তিনি ট্রাভেল এজেন্টদের সংগঠন আটাব (এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ)- এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জনাব মোস্তাফা জব্বার ১৯৮৭ সালের ২৮শে এপ্রিল মেকিন্টোস কম্পিউটারের বোতাম স্পর্শ করার মধ্য দিয়ে কম্পিউটার ব্যবসায়ে প্রবেশ করেন।  সেই বছরের ১৬ মে তিনি কম্পিউটারে কম্পোজ করা বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা আনন্দপত্র প্রকাশ করেন।


১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি প্রকাশ করেন বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার। সেটি প্রথমে মেকিন্টোস কম্পিউটারের জন্য প্রণয়ন করেন। পরে ১৯৯৩ সালের ২৬ মার্চ তিনি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্যও বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার প্রকাশ করেন। এরপর লিনাক্স এবং এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্যও তিনি বিজয় বাংলা সফটওয়্যার প্রকাশ করেন। জনাব মোস্তাফা জব্বার দেশের সংবাদপত্র, প্রকাশনা ও মুদ্রণ শিল্পের ডিটিপি বিপ্লবের অগ্রনায়ক। তিনি আনন্দ প্রিন্টার্স এবং আনন্দ মুদ্রায়ণের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর হাতেই গড়ে ওঠে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা নিউজসার্ভিস আনন্দপত্র বাংলা সংবাদ বা আবাস। তিনি এর চেয়ারম্যান ও সম্পাদক। তিনি ইতোপূর্বে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির নির্বাহী পরিষদের সদস্য, কোষাধ্যক্ষ ও সভাপতি (চারবার) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।


এছাড়া তিনি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস ( বেসিস ) এর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও পরিচালক এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। ২০০৮-০৯ সময়কালে তিনি দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০-১১ সালে তিনি তৃতীয় বারের মতো বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২-১৩ সময়কালেও তিনি এই সমিতির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৩-১৪ সময়কালে তিনি আবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। 

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
জনাব মোস্তাফা জব্বার বেসিস-এর প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি এবং পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬-১৮ সময়কালের জন্য তিনি বেসিস এর সভাপতির দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি ই-ক্যাব-এর উপদেষ্টা। দেশে কম্পিউটারের শুল্ক ও ভ্যাট মুক্ত আন্দোলনের অগ্রণী নেতা ও শিক্ষায় কম্পিউটার প্রচলনের একনিষ্ঠ সাধক মোস্তাফা জব্বার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বাধীন ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক অনেক কমিটির সদস্য। তিনি কপিরাইট বোর্ড এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের কাউন্সিল সদস্য।


২০০৭ সালের ২৬ মার্চ তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণা সম্পর্কে প্রথম নিবন্ধ লেখেন এবং ২০০৮ সালের ৬ আগস্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার লিপিবদ্ধ হয় । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দিকনির্দেশনায়, প্রধানমন্ত্রীর   মাননীয় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব আহমেদ ওয়াজেদ  এর নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে ।
জনাব মোস্তাফা জব্বার কম্পিউটার বিষয়ে অনেকগুলো বই লিখেছেন। দেশের কম্পিউটার বিষয়ক পত্রিকাসমূহে ব্যাপকভাবে লেখালেখিতে ব্যস্ত মোস্তাফা জব্বার নবম ও দশম শ্রেণীর কম্পিউটার বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা বইটির লেখক। তার লেখা “কম্পিউটার ও ইনফরমেশন টেকনোলজি” এবং “একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম’’ স্নাতক পর্যায়ের পাঠ্য বই। উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, দুই খন্ডের   প্রাথমিক কম্পিউটার শিক্ষা, মাল্টিমিডিয়া ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ছাড়াও তাঁর লেখা কম্পিউটারে প্রকাশনা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল ও তাঁর সম্পাদিত কম্পিউটার অভিধান ব্যাপকভাবে প্রচলিত কম্পিউটার বিষয়ক বই।


তাঁর প্রথম উপন্যাস নক্ষত্রের অঙ্গার ২০০৫ সালে প্রকাশিত হয়েছে। সুবর্ণে শেকড় নামে আরেকটি উপন্যাস তিনি লিখছেন। এছাড়াও কম্পিউটার কথকতা, ডিজিটাল বাংলা, একুশ শতকের বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশ,  ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং একাত্তর ও আমার যুদ্ধ তাঁর লেখা বইগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘কম্পিউটার’ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ টক শো-এর মাধ্যমে তিনি এখনও কম্পিউটার প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করে চলেছেন। এটিএন বাংলার ‘কম্পিউটার প্রযুক্তি’ এবং চ্যানেল আই এর ‘একুশ শতক’ অনুষ্ঠানের সহায়তায় ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেও তিনি কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেন।


তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষ অবদান রাখা ও বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার আবিষ্কার করার জন্য তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের   সেরা সফটওয়্যারের পুরষ্কার, পশ্চিমবঙ্গের কমপাস কম্পিউটার মেলার সেরা কমদামী সফটওয়্যারের পুরষ্কার, দৈনিক উত্তরবাংলা পুরষ্কার, পিআইবির সোহেল সামাদ পুরষ্কার, সিটিআইটি আজীবন সম্মাননা ও আইটি এ্যাওয়ার্ড, বেসিস আজীবন সম্মাননা পুরষ্কার ও বেস্টওয়ে ভাষা-সংস্কৃতি পুরষ্কার, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির আজীবন সম্মাননা, চয়ন গোল্ড মেডাল, ইস্টার্ণ ইউনিভার্সিটি পদক, পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশ এর জ্ঞানবন্ধু পুরষ্কার  ২০১৬, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটী আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ইউনাইটেড বিশ্ববিদ্যালয় আজীবন সম্মাননাসহ   ২৭টি  পুরষ্কারে  ভূষিত হয়েছেন। 


এর বাইরেও তাঁর রয়েছে অসংখ্য স্মারক ও সম্মাননা। শিক্ষানুরাগী মোস্তাফা জব্বার তাঁর নিজ গ্রামে বাবা প্রতিষ্ঠিত হাইস্কুলের সম্প্রসারণ করেছেন, বাবা-মার নামে গার্লস স্কুল  প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং গ্রামের হাজী আলী আকবর পাবলিক ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পিউটার শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন ও কম্পিউটার স্বাক্ষরতা প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। দেশজুড়ে মাল্টিমিডিয়া প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা ছাড়াও তিনি বিজয় ডিজিটাল স্কুল এবং আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের সাহায্যে শিক্ষাব্যবস্থার নতুন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছেন।


কম্পিউটারকে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে একুশ শতকের নতুন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা তাঁর জীবনের লক্ষ্য। তিনি এখন প্রধানত কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রয়োগ এবং শিক্ষামূলক সফটওয়্যার তৈরীতে ব্যস্ত আছেন। গত ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করেন। তিনি ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ দ্বিতীয়বারের মত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন।


তিনি এক পুত্র এবং দুই কন্যা সন্তানের গর্বিত জনক।


-সংগৃহীত
Share:

সম্পূর্ণ বিনা খরচে BPO তে ক্যারিয়ার গড়ুন, প্রশিক্ষণ শেষে চাকুরীর সহায়তা

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা


Bangladesh Association Of Call Center and Outsourcing এর তত্ত্বাবধানে Business Process Outsourcing (BPO) তে Career গড়ুন।

বিষয়ে BACCO দিচ্ছে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং চাকুরীর সহায়তা।
Serial
Course Name
Duration Hours. (Month)
Participants Type
Qualification
Course-1
Professional Customer Service (PCS)
220 Hours. (2.5 Month)
New Entrant
Graduate/4-Years Diploma. Age (18-45)
Course-2
Professional Back Office Service (PBS)
220 Hours. (2.5 Month)
New Entrant
Graduate/4-Years Diploma. Age (18-45)
Course-3
Professional Digital Content Management (PDCM)
160 Hours. (2 Months)
New Entrant
Graduate/4-Years Diploma. Age (18-45)
Course-4
Finance And Accounting Outsourcing (FAQ)
240 Hours. (3 Months)
New Entrant
Graduate/4-Years Diploma. Age (18-45)
Course-5
Medical Scribing (MS)
260 Hours. (2.5 Months)
New Entrant
Graduate/4-Years Diploma. Age (18-45)

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে Skills for Employment Investment Program (SEIP) প্রকল্পের অধীনে ও Bangladesh Association of Call Center and Outsourcing এর তত্ত্বাবধানে Business Process Outsourcing (BPO) সেক্টরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন সার্টিফিকেট কোর্সে সম্পূর্ণ বিনা খরচে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে।

ট্রেনিং এর বিশেষত্বঃ
·        প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হবে।
·        ইংরেজি ভাষার উপর সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদান হবে।
·        প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
·        উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের ট্রেনিং শেষে চাকুরী প্রদানে সহায়তা প্রদান করা হবে।
·        উপজাতি, নারী, প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ

Share:

দেখে নিন ২০১৯ সালে যে ১৫ টি ছবি হলিউডের সিনেমা কাঁপাতে যাচ্ছে

TotthoSeba, Tottho Seba, Tottho-Seba, Tottho_Seba, TotthoSheba, Tottho-Sheba, Tottho Sheba, Tottho_Sheba, তথ্যসেবা, তথ্য সেবা, তথ্য-সেবা, তথ্য_সেবা
গত বছরটি ছিল মার্ভেল ও ডিসি কমিকসের হলিউডি মাঠ দখলের লড়াই।  বক্স অফিসের হিসাব বলছে, সেই লড়াইয়ে বেশ বড় ব্যবধানেই জয়ী হয়েছে সদ্য প্রয়াত স্ট্যান লির মার্ভেল। অবশ্য বছরের শেষ ভাগে অ্যাকুয়াম্যানের সৌজন্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ডিসি। চলতি বছরই বোঝা যাবে, আদতে কে শাসন করবে হলিউড! কারণ ২০১৯ সালেও একাধিক ছবি মুক্তি দিচ্ছে এই দুটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। দুই প্রতিষ্ঠানের ভাব দেখে মনে হচ্ছে, কেউই ‘বিনা যুদ্ধে’ এক ইঞ্চি মাটিও ছাড়তে রাজি নয়।

তবে হলিউড বলতে তো শুধু ডিসি-মার্ভেলকে বোঝায় না। সুপার হিরো ছাড়াও এই রক্তমাংসের পৃথিবীর কিছু গল্পও চিত্রায়িত হবে রুপালি পর্দায়। চলতি বছর বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি সিনেমা নতুন নতুন পর্ব নিয়ে দর্শকদের সামনে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। দেখা যাবে নিকোল কিডম্যান, রবার্ট ডি নিরোর মতো শক্তিশালী অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। অন্যদিকে বরাবরের মতোই অ্যানিমেশন ছবিও মুক্তি পাবে সমানতালে।

চলুন, দেখে নিই ২০১‍৯ সালে সিনেমা হল কাঁপাতে কোন কোন হলিউডি সিনেমা আসছে দর্শকদের সামনে—
১. গ্লাস
জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা। ২০০০ সালের ‘আনব্রেকেবল’ ও ২০১৬ সালের ‘স্প্লিট’ ছবির পটভূমি নিয়ে নতুন এই সিনেমার কাহিনি বোনা হয়েছে। মূল ভূমিকায় অভিনয় করছেন ব্রুস উইলিস ও স্যামুয়েল এল জ্যাকসন। এই দুই জনপ্রিয় অভিনেতাকে পর্দা ভাগাভাগি করতে দেখাটা দর্শকদের ভালো অভিজ্ঞতা উপহার দেবে বলেই আশা চিত্র সমালোচকদের। এরই মধ্যে ছবিটির ট্রেলার মুক্তি পেয়ে গেছে। এবার বড় পর্দায় মুক্তির জন্য অপেক্ষা।
মে মাসের শেষের দিকে পর্দায় আসবে ডিজনির ‘আলাদিন’। যদিও গল্পে নতুন চমক কিছু নেই। 

২. ডেসট্রয়ার
জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে নিকোল কিডম্যান আসবেন এই ছবি নিয়ে। এবার গোয়েন্দা পুলিশের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন কিডম্যান। তাই দেখার পালা, এই ছবি দিয়ে ফের আরেকটি অস্কার মনোনয়ন তিনি দখল করতে পারেন কি না।

৩. ভাইস
জানুয়ারি মাসটি যেন শুধুই সুঅভিনেতাদের! নিকোল কিডম্যানের পাশাপাশি পর্দায় আসছেন ক্রিশ্চিয়ান বেল। ‘ভাইস’ ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির ভূমিকায় দেখা যাবে ক্রিশ্চিয়ান বেলকে। ছবির পরিচালক অ্যাডাম ম্যাককে।

৪. দ্য লেগো মুভি টু
ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মুক্তি পাবে লেগো মুভির দ্বিতীয় কিস্তি। প্রথম পর্বের পাঁচ বছর পর পর্দায় আসছে নতুন সিক্যুয়াল। রসাত্মক ছবিটি দর্শকদের বিনোদন দেবে বলেই বিশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মুক্তি পাবে লেগো মুভির দ্বিতীয় কিস্তি। 

৫. ক্যাপটেন মার্ভেল
মার্চ থেকেই শুরু হবে মার্ভেলের চলতি বছরের অভিযান। শুরুটা করবে ‘ক্যাপটেন মার্ভেল’। চরিত্রায়ণে থাকছেন ব্রি লারসন ও জুড ল। নারী সুপারহিরোরাও যে সিনেমা হল কাঁপাতে পারে, ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ দিয়ে তা আগেই প্রমাণ করেছে ডিসি কমিকস। এবার মার্ভেলের পালা। ছবির পরিচালক হিসেবে আছেন অ্যানা বোডেন।

৬. আস
মার্চ মাসে পর্দায় আসবে ভূত-পেতনিও! জর্ডান পিয়েলের নতুন ছবি ‘আস’। ২০১৭ সালে ‘গেট আউট’ ছবি দিয়ে হরর ফিল্মে নাম লিখিয়েছিলেন জর্ডান। জানা গেছে, এক দম্পতিকে নিয়ে শুরু হবে ছবির গল্প। সমুদ্রের ধারে বেড়াতে গিয়ে বিপদে পড়েন তাঁরা। কিছু অপরিচিত ব্যক্তি হয়ে ওঠে ভয়ংকর! বাকিটুকু না হয় পর্দাতেই দেখবেন।

জুলাইয়ের ১৯ তারিখ ডিজনির ‘লায়ন কিং’ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। 

৭. অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম
আবার মার্ভেল। এই সিক্যুয়াল আসবে এপ্রিলে। পরিচালনায় থাকছেন অ্যান্থনি রুশো ও জো রুশো। থানোসকে কে মারবে? লাখ টাকার এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে ছবিটিতে। আয়রনম্যানের ক্যারিশমা দেখার অপেক্ষাতেও আছেন অনেক ছবিপ্রেমী। থানোসকে ঠেকানোর দায়িত্ব যে তার কাঁধে। গত বছরের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’-এর দৃশ্যায়ন হিসাবে নিলে বলতেই হবে, এ বছরের অন্যতম সেরা আকর্ষণ এই ছবি।

৮. আলাদিন
মে মাসের শেষের দিকে পর্দায় আসবে ডিজনি। যদিও আলাদিনের গল্পে নতুন চমক কিছু নেই। কিন্তু ডিজনির ছবি বলেই আগেই হাল ছেড়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার পরিচালনায় আছেন গাই রিচি। সাধারণ গল্পকেও অসাধারণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা আছে এই ব্যক্তির। সুতরাং, আশায় বুক বাঁধতেই পারেন।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি মুক্তি পেতে পারে কুয়েন্টিন টারানটিনোর নতুন ছবি ‘ওয়ানস আপন অ্যা টাইম ইন হলিউড’। তাতে এই লুকে দেখা দেবেন ব্র্যাড পিট ও লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও। 

৯. টয় স্টোরি ফোর
জুনে মুক্তি পাবে পিক্সারের এই ছবি। আগের পর্বগুলোর কোনোটিই বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েনি। সেই হিসাবে ‘টয় স্টোরি’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ট্র্যাক রেকর্ড বেশ ভালো। ছবিটির ট্রেলার এরই মধ্যে আলোড়ন তুলেছে। ছবির পরিচালনায় থাকছেন জশ কুলি।

১০. লায়ন কিং

জুলাইয়ের ১৯ তারিখ ডিজনির এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ডিসি ও মার্ভেলের পাশাপাশি হলিউড দখলের দৌড়ে আছে ডিজনিও। তবে হ্যাঁ, এটি কিন্তু রিমেক। সুতরাং, আগের অ্যানিমেশন দেখে সাধ না মিটলে যেতেই পারেন প্রেক্ষাগৃহে।

১১. ওয়ানস আপন আ টাইম ইন হলিউড
জুলাই মাসের মাঝামাঝি মুক্তি পেতে পারে কুয়েন্টিন টারানটিনোর নতুন এই ছবি। ১৯৬০-এর দশকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে ছবিটি। একটি পরিবারে ঘটে যাওয়া খুনের ঘটনা নিয়ে সাজানো হয়েছে চিত্রনাট্য। দেখা যাবে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও ও ব্র্যাড পিট—দুজনকেই। একে বিখ্যাত পরিচালক, অন্যদিকে দুই শক্তিমান অভিনেতা। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৯-এর জুলাই মাসটি জমিয়ে দেবে এই ছবি।
চলতি বছরে মার্ভেলের প্রথম ছবি হিসেবে মুক্তি পাবে ‘ক্যাপটেন মার্ভেল’। 

১২. এক্স-ম্যান
সব সুপারহিরোরাই যখন চলে আসছে, এক্স-ম্যান আর বাদ থাকবে কেন? একটি নয়, দু-দুটি সিনেমা নিয়ে দর্শকদের সামনে আসবে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। দুই ছবির একটির নাম ‘ডার্ক ফিনিক্স’, জুনের প্রথম সপ্তাহে এর মুক্তি পাওয়ার কথা। ‘দ্য নিউ মিউটেন্টস’ নামের অন্য ছবিটি মুক্তি পাবে আগস্টে। গত বছরই এই ছবিটি মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু কিছু দৃশ্য ফের চিত্রায়ণের প্রয়োজন হওয়ায়, পিছিয়ে যায় মুক্তির তারিখ।

১৩. স্পাইডার ম্যান: ফার ফ্রম হোম
নতুন স্পাইডার ম্যান হিসেবে এরই মধ্যে হিট হয়েছেন টম হল্যান্ড। কম বয়সী এই স্পাইডার ম্যান শুরু থেকেই দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’ ছবিতে তাঁর মৃত্যু অনেক ভক্তের মধ্যে হাহাকার তুলেছিল। অবশ্য নতুন ছবির ট্রেলার তা দূর করে দিয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে, ফের মঞ্চ মাতাতে আসছেন মাকড়সা-মানব। এই ছবি মুক্তি পাবে জুলাইয়ে।

১৪. ইট: চ্যাপ্টার টু
সেপ্টেম্বরে আসবে ‘ইট’ ছবির এই নতুন কিস্তি। স্টিফেন কিংয়ের গল্পে তৈরি এই ছবির আগের কিস্তি অনেক দর্শককে ভয় পাইয়েছে। এবার নতুন করে ভয় দেখানোর পালা। ছবির গল্পে দেখা যাবে ২০ বছর পরের কাহিনি।
নতুন স্পাইডার ম্যান হিসেবে এরই মধ্যে হিট টম হল্যান্ড। 

১৫. জোকার
টড ফিলিপসের পরিচালনায় অক্টোবরে মুক্তি পাবে ‘জোকার’। কমিক চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এই ছবির গল্প। চরিত্রাভিনেতা হিসেবে থাকবেন জোয়াকিন ফিনিক্স, রবার্ট ডি নিরো প্রমুখ। ছবির গল্পে দেখা যাবে, কমেডিয়ান হতে গিয়ে ব্যর্থ হোন জোয়াকিন ফিনিক্স। এরপরই বনে যান খুনি। থ্রিলার ঘরানার এই ছবি অ্যাড্রেনালিনের ক্ষরণ বাড়াবে বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্রবোদ্ধারা।

এতেই কিন্তু শেষ নয়। তালিকায় আরও অনেক ছবি আছে। আসছে ডিসেম্বরে মুক্তি পাবে স্টার ওয়ারসের পরবর্তী পর্ব।  মে মাসে মুক্তি পাওয়ার কথা আছে ‘জন উইক: চ্যাপ্টার থ্রি’। একই মাসে পর্দায় আসতে পারে ‘গডজিলা: কিং অব দ্য মনস্টারস’। অর্থাৎ বলাই যায়, ২০১৯ সাল হতে চলেছে জমজমাটি। এবার শুধু চাক্ষুষ করার অপেক্ষা।

তথ্যসূত্র:  মিরর, হলিউড রিপোর্টার, ইন্ডিপেনডেন্ট, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও ওয়্যারড, প্রথম আলো
Share:

জনপ্রিয় পোস্টগুলি